মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বন্ধ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে দেশের পাঁচটি বেসরকারি মাদ্রাসার সুপার, অধ্যক্ষসহ আট শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে সাময়িকভাবে তাদের সরকারি বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বাক্ষরিত মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নোটিশে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাদের বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না।
অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শোকজ পাওয়া শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জাল স্বাক্ষর ও ভুয়া চিঠি তৈরি, অবৈধভাবে নিয়োগ বোর্ড গঠন করে ফলাফল শিট প্রস্তুত এবং মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর ব্যবহার করে দীর্ঘদিন সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
শোকজ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার নিজবলাইল ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম, ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মো. ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন এবং কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার সোনারীপাড়া মীম ছীন বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. ইস্কেন্দার মির্জা।
এ ছাড়া নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মস্কিপুর দ্বি-মুখী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. আফতাব উদ্দীন, সহকারী মৌলভী মো. জহরুল ইসলাম ও মো. আখতার হোসেনকেও শোকজ করা হয়েছে।
তালিকায় আরও রয়েছেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়াভাঙ্গা ডি. এইচ. ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং সহকারী মৌলভী শামছিয়া খাতুন।
নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থা অনুযায়ী কেন বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, সে বিষয়েও সন্তোষজনক জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
