৬৪ জেলার সম্ভাবনাময় স্থান নিয়ে পর্যটন স্পট তৈরির পরিকল্পনা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ইকো-ট্যুরিজম প্রসারে সরকারি-বেসরকারি খাতের অংশীদারত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনসচিব ফাহমিদা আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আব্দুর রউফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর হলেও পর্যটন খাতে উন্নয়নের নজির কম। বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ট্যুরিজম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের মাত্র পাঁচ মাসেই পর্যটন খাতের উন্নয়নে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে দেশকে ট্যুরিজম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার যাত্রা সহজ হবে। এ যাত্রায় সব অংশীজনকে পাশে চান তিনি।
আরও পড়ুন: শেরপুরে নারীসহ পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আটক
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আপনাদের সহযোগিতায় দেশকে এগিয়ে নেওয়া যাবে বলে তিনি আশা করেন। যেকোনো উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার যাচাই করতে হবে। সে জন্য প্রতিমাসেই বেসরকারি অংশীজনদের নিয়ে বসতে চান তাঁরা, যাতে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের মধ্যে তথ্যের ঘাটতি না থাকে।

মন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনকৃত ‘এসডিজি ভিলেজ’ রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি গ্রাম, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রাম ও দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রামসহ আরও কয়েকটি গ্রাম নিয়ে পর্যটন স্পট তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। এভাবে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার পর্যটন সম্ভাবনাময় স্থানগুলো চিহ্নিত করে দেশকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নিতে চায় বর্তমান সরকার।
সেমিনারে বাংলাদেশে ইকো-ট্যুরিজমের গুরুত্ব, বর্তমানে বাংলাদেশে ইকো-ট্যুরিজমের অবস্থান, ইকো-ট্যুরিজমের উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ, উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা ও করণীয় বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওয়াসিউল ইসলাম।
