গর্ভবতী মেয়েকে নদীতে ডুবিয়ে হত্যা করলেন বাবা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ভারতে বিয়ের আগেই মেয়ের গর্ভধারণের খবর জানার পর তাকে নদীতে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। মূলত সামাজিক লজ্জার ভয়েই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ওই বাবা। আর সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, চিকিৎসার কথা বলে মেয়েকে উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় নিয়ে গিয়ে চম্বল নদীতে ডুবিয়ে হত্যা করেন তিনি। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার নাটকও সাজান ওই ব্যক্তি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার বলছে, দিল্লিতে অবিবাহিত ১৮ বছর বয়সী মেয়ের গর্ভধারণের বিষয়টি জানার পর তাকে হত্যার অভিযোগে ৫২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত লাখপত সিং দক্ষিণ দিল্লির তিগরি এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন।
পুলিশ বলছে, মেয়ের গর্ভধারণের খবর জানার পর সামাজিক লজ্জার ভয়ে তিনি তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। আর তাই চিকিৎসার কথা বলে মেয়েকে উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় নিজেদের গ্রামের বাড়িতে যেতে রাজি করান।
আরও পড়ুন : স্কুলে এলোপাথাড়ি গুলি, শিক্ষকসহ ৭ জনের মৃত্যু
পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে লাখপত সিং মেয়েকে আগ্রার বাসাউনি এলাকার চম্বল নদীর তীরে নিয়ে যান। সেখানে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে নদীতে ডুবিয়ে হত্যা করা হয়।
তদন্তে আরও জানা যায়, ঘটনার সময় তারা ছবি তোলেন এবং ভিডিওও ধারণ করেন। হত্যাকাণ্ডের পর আগ্রার বাসাউনি এলাকার বাসিন্দা লাখপত সিং দিল্লিতে ফিরে এসে মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ করেন।
আরও পড়ুন : ভারতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ১২৭৯ মসজিদের মাইক অপসারণ
পুলিশের সন্দেহ এড়াতে ঘটনাটিকে অপহরণ বা নিখোঁজের ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। একপর্যায়ে লাখপত সিংয়ের বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ে।
পরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে এবং তার ওই আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে তাদের ঘটনাস্থল আগ্রাতেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, নিহত তরুণীর মরদেহ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। চম্বল নদীতে এখনও তল্লাশি অভিযান চলছে।
