×

আন্তর্জাতিক

দলীয় প্রতীক হারানোর ঝুঁকিতে মমতার তৃণমূল!

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম

দলীয় প্রতীক হারানোর ঝুঁকিতে মমতার তৃণমূল!

ফাইল ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ভেঙে তছনছ হয়ে যাওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস এবার দলীয় প্রতীক ‘জোড়া ঘাসফুল’ হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে।

দল ভেঙে বেরিয়ে আসা তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ নেতারা সোমবার দলের চেয়ারপারসনের পদ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে দিয়েছেন।

হাওড়ার মধ্য বিধানসভার বিধায়ক ও রাজ্যের সাবেকমন্ত্রী অরূপ রায়কে দলের নতুন চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়সহ ৪ জন।

আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার বিদ্রোহীরা দলীয় প্রতীক ‘কব্জা’ করবেন কিনা, সেই জল্পনা শুরু হয়েছে।

এ ঘটনার পর মমতাপন্থি তৃণমূল নেতারা বিদ্রোহীদের ‘বেঈমান’ বলতে ছাড়েননি। আট নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু তাতে দলের প্রতীক হাতছাড়া হওয়া আটকানো যাবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সংশয় রয়েছে। কারণ নির্বাচন কমিশনকে নতুন কমিটির কথা জানানো হবে বলে ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছেন ঋতব্রত।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার লিখেছে, নির্বাচন কমিশনকে নতুন কমিটির কথা জানালে জোড়া ঘাসফুল প্রতীকের ‘দখল’ পাওয়া বিদ্রোহীদের পক্ষে খুব একটা কঠিন হবে না।

আনন্দবাজার বলছে, তাই চুপ করে বসে নেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। ইতোমধ্যে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ায় (এনসিপিআই) মিশে গেছেন তারা। তা সত্ত্বেও ঘাসফুল প্রতীকের জন্য সর্বশক্তিতে ঝাঁপাতে দেখা যাবে তাদের। ।

অতীতে ত্রিপুরার বিধানসভার নির্বাচনে ‘কলমের নিব’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল এনসিপিআই। কিন্তু সেই প্রতীক একেবারেই পছন্দ নয় তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের। তাই গত ১৮ জুন নিজেদের নেত্রী শতাব্দী রায়ের কলকাতার বাড়িতে বৈঠক করেন তারা। সেখানেই ‘জোড়া ঘাসফুল’ প্রতীক ‘কব্জা’ করতে আদালতে যাওয়ার আলোচনা হয়।

১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে মমতাকে বহিষ্কার করে কংগ্রেস। ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে দলের নাম আগেই নথিভুক্ত করা হয়েছিল। প্রথমে সেটা ছিল, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস। পরে পাল্টে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নাম রাখেন মমতা। বিজেপির সঙ্গে জোট করে ‘জোড়া ঘাসফুল’ প্রতীকে সে বছর লোকসভা নির্বাচন করে তার দল।

তৃণমূলের দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ‘জোড়া ঘাসফুল’ প্রতীকটির একটি বিশেষ অর্থ আছে। এর মাধ্যমে সমাজের নিচুতলা থেকে শুরু করে আমজনতার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ফুটিয়ে তোলার কথা বলা হয়েছে।

চিত্রশিল্পী সোমনাথ চৌধুরীর দাবি, প্রয়াত এমপি অজিত পাঁজার নির্দেশে ওই লোগো তৈরি করেন তিনি। আনুষ্ঠানিকভাবে তখনো তৃণমূলের জন্ম হয়নি।

সে সময়কার স্মৃতিচারণ করে সোমনাথ বলেছিলেন, কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত মমতা যে নতুন দল তৈরি করতে চলেছেন, তা ঘুণাক্ষরেও টের পাওয়া যায়নি। তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার দিনই তার আঁকা লোগোকে নির্বাচনী প্রতীক হিসাবে গ্রহণ করা হয়। এই নকশা তৈরির ষোলআনা কৃতিত্ব দাবি করে বসেন মমতা। ফলে রাতারাতি মুছে যায় সোমনাথের নাম। এভাবে তার শিল্পীসত্ত্বাকে অস্বীকার করা হচ্ছে দেখেও ‘ভয়ে’ কাউকে কিছু বলতে পারেননি তিনি।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

আটকে থাকা অর্থের ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ওড়ালো ইরান

আটকে থাকা অর্থের ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ওড়ালো ইরান

আখাউড়ায় পার্টনার কংগ্রেস ও ফলমেলা অনুষ্ঠিত

আখাউড়ায় পার্টনার কংগ্রেস ও ফলমেলা অনুষ্ঠিত

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল, প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনার দাবি প্রধানমন্ত্রীর

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল, প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনার দাবি প্রধানমন্ত্রীর

বিপৎসীমার উপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

বিপৎসীমার উপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App