হুথিদের হামলায় ইয়েমেনে ৩০ সেনা নিহত
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৪ এএম
ছবি : সংগৃহীত
ইয়েমেনের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের পৃথক হামলায় দেশটির সরকারি বাহিনীর অন্তত ৩০ সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক সেনাসদস্য। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর এটিকে দেশটির অন্যতম বড় সামরিক সংঘর্ষ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ইয়েমেনের সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এ তথ্য জানিয়েছে।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারিব ও হাদরামাউত প্রদেশে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের একাধিক সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। গণমাধ্যমে কথা বলার অনুমতি না থাকায় তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন : উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি ইরানের
২০২২ সালের এপ্রিলে কার্যকর হওয়া অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির পর এটিই সবচেয়ে বড় সহিংস ঘটনা। ওই যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দেওয়া সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে দীর্ঘদিনের লড়াই অনেকটাই থেমে গিয়েছিল।
ইয়েমেনের সেনাবাহিনী হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।
অন্যদিকে, হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি হুথি গোষ্ঠী। তবে তারা জানিয়েছে, সাম্প্রতিক একটি বড় সামরিক অভিযানের বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন : বাংলাদেশে যা চলছে, তা অমানবিক : দিলীপ ঘোষ
২০১৪ সালে রাজধানী সানা দখলের মাধ্যমে হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের সূচনা করে। এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার সৌদি আরবে নির্বাসনে যেতে বাধ্য হয়।
পরবর্তীতে ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে পুনর্বহালের লক্ষ্যে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট সামরিক অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাত এখন কার্যত একটি অচলাবস্থার প্রক্সি যুদ্ধে পরিণত হয়েছে।
