×

জাতীয়

রাতে নিখোঁজ, সকালে প্রাইভেটকারে শিক্ষক দম্পতির মরদেহ

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২২, ১১:১০ এএম

রাতে নিখোঁজ, সকালে প্রাইভেটকারে শিক্ষক দম্পতির মরদেহ

বৃহস্পতিবার ভোরে টঙ্গির হায়দ্রাবাদ ব্রিজের কাছে একটি প্রাইভেটকারে শিক্ষক দম্পতির মরদেহ পাওয়া যায়। ছবি: সংগৃহীত

রাতে নিখোঁজ থাকার পর প্রাইভেটকার থেকে শিক্ষক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের পরিচয়- টঙ্গীর শহীদ স্মৃতি স্কুলের প্রধান শিক্ষক জিয়াউর রহমান (৪০) ও তার স্ত্রী আমজাদ আলী স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা মাহমুদা আক্তার জলি (৩৫)।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) ভোরে টঙ্গীর হায়দ্রাবাদ ব্রিজ থেকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের বাসা নগরীর গাছা থানার বড়বাড়ি এরাকার জয়বাংলা সড়কের বগারটেকে।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে এই শিক্ষক দম্পতির ছেলে মো. মিরাজ বলেন, টঙ্গীর কামারজুরি এলাকার নিজ বাড়ি থেকে গাড়িতে করে স্কুলের উদ্দেশ্যে বের হন মা-বাবা। স্কুল শেষে সন্ধ্যা ছয়টা ২০ মিনিটে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। কিন্তু এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ-খবর পাওয়া যাচ্ছিল না।

তিনি আরও বলেন, রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পাচ্ছিলাম না আমরা। ভোরে হায়দ্রাবাদ ব্রিজ এলাকা থেকে গাড়ির ভেতর চালকের আসনে বাবা এবং তার পাশে মায়ের মরদেহ পাওয়া যায়। সেখান থেকে প্রথমে তাদের তায়রুন্নেছা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে উত্তরার একটি হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নন্দলাল চৌধুরী বলেন, ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে হায়দ্রাবাদ ব্রিজের পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাদের মরদেহ। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে তাদের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে মৃত্যুর কারণ।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বাঁধনের ওপর হামলাকারীদের দেশে ফেরাতে ‘সর্বোচ্চ’ চেষ্টা করবে সরকার

বাঁধনের ওপর হামলাকারীদের দেশে ফেরাতে ‘সর্বোচ্চ’ চেষ্টা করবে সরকার

নতুন পে-স্কেলে অবসরপ্রাপ্তদের পেনশনে বড় স্বস্তি

নতুন পে-স্কেলে অবসরপ্রাপ্তদের পেনশনে বড় স্বস্তি

পরীমণির বায়োপিকে অভিনয় করতে চান দীঘি, নেপথ্যে কী

পরীমণির বায়োপিকে অভিনয় করতে চান দীঘি, নেপথ্যে কী

হজ প্যাকেজে বড় ছাড়

হজ প্যাকেজে বড় ছাড়

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App