×

জাতীয়

অপরাধের স্বর্গরাজ্য রোহিঙ্গা ক্যাম্প

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৩, ০৮:০৭ এএম

অপরাধের স্বর্গরাজ্য রোহিঙ্গা ক্যাম্প

ফাইল ছবি

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের কারণে ক্রমেই অনিরাপদ অঞ্চল হয়ে উঠেছে। ভয় ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে স্থানীয়রা। শিশুরা এখন মাঠে খেলতে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝিরাও রাত হলে ভয়ে ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যান। গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসীদের আটক করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও ভাবতে হচ্ছে।

বিভিন্ন পাহাড়ে রোহিঙ্গারা গড়ে তুলেছে ‘অপহরণ সংগঠন’। সেখানে চলছে বিদেশি পিস্তল, ইয়াবার রমরমা বাণিজ্য। বাধা দিতে গেলে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও গুলি চালাচ্ছে সন্ত্রাসীরা। এছাড়া উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করছে তারা। নিয়মিত অভিযানে আটক করেও ঠেকানো যাচ্ছে না অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের। হত্যাকাণ্ড, অপহরণ, ধর্ষণ, স্বর্ণের চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ‘অপরাধ রাজ্য’ তৈরি করেছে তারা। মাদকের পাশাপাশি মুক্তিপণের জন্য অপহরণ, হত্যা, স্বর্ণের চোরাচালান বাড়ছে। একসময়ের শান্তিপূর্ণ এলাকাগুলোতে এখন অপহরণ আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয় সাধারণ মানুষের। স্থানীয় বাসিন্দার পাশাপাশি সাধারণ রোহিঙ্গাও অপহরণের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। উখিয়া-টেকনাফের পাহাড়-জঙ্গলে আস্তানা গড়ে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করছে সন্ত্রাসীরা। মুক্তিপণ দিলেও আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে ফেলে লাশ মাটির গর্তে পুঁতে রাখা হচ্ছে। পরে সেসব কঙ্কাল উদ্ধার করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়কে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে হত্যার ঘটনা বাড়ছে। কক্সবাজারের সীমান্ত জনপদ টেকনাফে গত ৬ মাসে মুক্তিপণের জন্য অপহরণ করা হয়েছে অন্তত ৬২ জনকে। গত ৪ জুন অপহরণের শিকার হয়েছে হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র মোহাম্মদ হোসাইন সূর্য। তার পরিবারের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। সূর্যের বাবা সোলতান জানান, দুর্বৃত্তরা ফোন করে বলছে, ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ না দিলে আমার ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হবে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়েছি।

গত ২ জুন লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পাঁচ রোহিঙ্গা যুবককে অপহরণ করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। মুক্তিপণ না দেয়ায় পরের দিন শনিবার রাতে এক যুবকের হাতের কবজি কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়। পরে ওই হাতসহ তাকে ফেরত পাঠায় অভিভাবকের কাছে। মুক্তিপণ না দিলে বাকিদের হত্যা করা হবে বলে পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়েছে অপহরণকারীরা।

এ বিষয়ে হ্নীলা ইউপির চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের দমদমিয়া, জাদিমোরা, লেদা, আলীখালী, রঙ্গীখালী, পানখালী, কম্মুনিয়াপাড়া ও মরিচ্চ্যঘোনা এলাকার মানুষ অপহরণ আতঙ্কে ভুগছে। এসব এলাকায় মাদক ব্যবসাও বেড়েছে। অপহরণকারীদের হাত থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুছাত্র পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না।’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাহারছড়া, হোয়াইক্যং, হ্নীলা ও সদর ইউনিয়নের পাহাড়ে আস্তানা গেড়েছে ১০-১২টি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। তাদের অপহরণ থেকে রক্ষা পাচ্ছে না শিশু, ছেলেমেয়ে, স্কুলছাত্র; এমনকি অটোরিকশাচালকরাও। যে কোনো সময় যে কেউ অপহরণের শিকার হচ্ছে। ফলে স্থানীয় সবাই আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। অনেকে সন্ধ্যার পর সন্তানদের ঘরের বাইরে যেতে দেন না। কেউ কেউ বিশেষ পাহারায় সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাচ্ছেন।

অপহরণের ঘটনায় থানায় জিডি ও অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। গত ২৮ এপ্রিল পাত্রী দেখতে গিয়ে অপহরণের শিকার হন কক্সবাজারের চৌফলদণ্ডী উত্তরপাড়ার মোহাম্মদ আলমের ছেলে জমির হোসেন রুবেল, তার দুই বন্ধু ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ সওদাগরপাড়া এলাকার মোহাম্মদ ইউসুফ ও কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া এলাকার ইমরান। ২৪ মে টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যারা এখন পুলিশের রিমান্ডে রয়েছে।

থানার তথ্যমতে, ২০২২ সালের ১ নভেম্বর থেকে এ বছরের ৩০ মে পর্যন্ত সাত মাসে টেকনাফ থানায় অপহরণের মামলা হয়েছে আটটি। এসব মামলায় আসামির সংখ্যা অন্তত ৫০। এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২০ জনকে। একই সময়ে অপহৃত অনেককে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য বলেন, সন্ত্রাসীরা দিনে ছদ্মবেশে বিভিন্ন এলাকায় চলাচল করে। জানার চেষ্টা করে কাকে অপহরণ করলে বেশি টাকা পাওয়া যাবে। সেভাবে টার্গেট করে অপহরণের ঘটনা ঘটায়। বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেন, পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি অপরাধীচক্র শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। গত ৫ মাসে তারা বাহারছড়া ইউনিয়নের ১৫-২০ জনকে অপহরণ করেছে। অপহরণকারীদের দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অভিযানের দাবি করেন তিনি।

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, আমার ইউনিয়নের কম্বনিয়াপাড়া মহেশখালিয়াপাড়া, কাঞ্জরপাড়া, খারাংখালী, সাতঘড়িয়াপাড়া, রইক্ষ্যম এলাকায় অন্তত ৭০০ পরিবার অপহরণ আতঙ্কে ভুগছে। এসব গ্রামের চারজনকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে।

অপহরণের বিষয়ে ৮ এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার (ইন্টেলিজেন্স ও মিডিয়া) মো. ফারুক আহমেদ জানান, গত দুই মাসে উখিয়ায় ৬/৭টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটি অপহরণের পেছনে আধিপত্য বিস্তার ও মাদক পাচারের বিষয়টি জড়িত। প্রত্যেক অপহৃতকে এপিবিএন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এপিবিএন সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রোহিঙ্গারা টাকার লোভে অপহরণ করছে। অপহরণের ঘটনা মাদকের লেনদেনের পেছনেও হচ্ছে। তাদের অনেকের সঙ্গে ইয়াবা ব্যবসার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

একাধিক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী বাহিনী এসব অপহরণের সঙ্গে জড়িত। তাদের সঙ্গে স্থানীয় কিছু লোকও আছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় গত সাড়ে পাঁচ বছরে অন্তত ১৬৪টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গত দুই বছরে এ সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। ক্যাম্পগুলোতে হত্যাকাণ্ড, অপহরণ, গোলাগুলি অনেকটা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সক্রিয়তা এখন ‘ওপেন সিক্রেট’। কিন্তু কেউ এ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলতে চান না। তাদের ভয়, কেউ ‘ফোকাস’ হয়ে গেলেই তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। কারণ, যারাই এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছে, এমনকি প্রশাসন-গোয়েন্দাকে তথ্য দিয়েছে বলে সন্দেহ হয়েছে, তারাই পরবর্তীতে এসব গোষ্ঠীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় সহিংসতার মূল কারণ ক্যাম্পের ভেতরে রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারের এবং মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টা। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) আর রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)। এর বাইরে নবী হোসেন গ্রুপ, মুন্না গ্রুপ, ডাকাত হাকিম গ্রুপ, ডাকাত সালেহ গ্রুপ, ইসলামিক মাহাস গ্রুপ রয়েছে। আরসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে আল-ইয়াকিন নামেও পরিচিত। আরএসও আগে থেকেই কুতুপালং ক্যাম্পে সক্রিয় ছিল। এসব গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি এসব নিয়েই এখন সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।

আরসা এবং আরএসও আলাদাভাবে কাজ করলেও তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল না। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই দুটি সংগঠন পরস্পর মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে আরসার বিরুদ্ধে আরএসও গত দুই বছরে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কর্মহীন, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের এই রোহিঙ্গাদের ঘিরে মাদক পাচার, অপহরণসহ নানারকম অপরাধের সাম্রাজ্য তৈরি করেছে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো। মাদক পাচার, অপহরণ নিয়ে কোনো দ্বন্দ্ব তৈরি হলেই তারা একে অপরের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। নিজেদের প্রভাব অক্ষুণ্ন রাখতে তারা বিভিন্ন ক্যাম্পে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে রেখেছে। যখন তারা সেই প্রভাব আরো বিস্তারের চেষ্টা করে, তখন আরেকটি গ্রুপের সঙ্গে গোলাগুলি বা হত্যাকাণ্ড শুরু হয়ে যায়। ক্যাম্পের সব জায়গায় এসব দলের লোক ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ক্যাম্পে কাজের সুযোগ সীমিত হওয়ায় টাকাপয়সা আর শক্তি দেখানোর লোভে অনেক রোহিঙ্গা তরুণ এসব গ্রুপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।

নিজেদের কৌশলও পরিবর্তন করেছে এসব সন্ত্রাসী দল। এখন আর আগের মতো তারা দল বেঁধে অস্ত্র হাতে প্রকাশ্যে ক্যাম্পের ভেতরে চলাফেরা করে না। কাউকে টার্গেট করা হলে সুবিধামতো সময়ে এসে তারা হামলা করে। কোনো সশস্ত্র গ্রুপ একটি এলাকায় নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর আরেকটি গ্রুপ এসে পাল্টা হামলা করে সেই এলাকার দখল নেয়ার চেষ্টা করে। ফলে আরসা সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা করছে আরএসও, আবার আরএসও সদস্যদের ওপর পাল্টা হামলা চালাচ্ছে আরসা। এসব কারণে গত দুই বছরে ৪০টির বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর আধিপত্য নিয়ে দ্বন্দ্বে এর মধ্যে বেশ কয়েকবার ক্যাম্পে আগুন দেয়া হয়েছে। এক গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকায় আরেক গ্রুপ আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাম্প্রতিক যেসব গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে, প্রায় তার সবই আরসা আর আরএসও সশস্ত্র দুটি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। তবে ক্যাম্পের সার্বিক পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।

আগে আরসার লোকজন নাইক্ষংছড়ির শূন্য রেখায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পেই শক্ত ঘাঁটি তৈরি করেছিল। শূন্য রেখা থেকে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে দেয়ার পর তারা অন্য ক্যাম্পগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অর্থের মূল উৎস মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদক পাচারের ব্যবসা। মিয়ানমারের ইয়াবা তৈরিকারীদের সঙ্গে এসব গোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাদের কাছ থেকে সীমান্তের পাহাড়ি এলাকা, নদী থেকে ইয়াবা বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। পরে এই চক্রের কাছ থেকে সেটা বাংলাদেশি মাদক কারবারিদের মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

এছাড়া মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে যেসব পণ্য পাচার হয়ে দেশে আসে, সেটাও নিয়ন্ত্রণ করে এসব সশস্ত্র গোষ্ঠী। সেই সঙ্গে রয়েছে ক্যাম্প থেকে মানবপাচার, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করার মতো অপরাধ। যে এলাকা যার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেই এলাকার দোকান থেকে, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও এরা চাঁদা নেয়। কক্সবাজার জেলা পুলিশের হিসাবে, ২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে আড়াই হাজারের বেশি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় আসামির সংখ্যা পাঁচ হাজারের বেশি। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার, মাদক ব্যবসা, ডাকাতি, ধর্ষণ, অপহরণ, মানবপাচার ও পুলিশের ওপর হামলার মতো অভিযোগ রয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ২১ বছরের অপেক্ষা ঘোচাল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ২১ বছরের অপেক্ষা ঘোচাল বাংলাদেশ

নারিকেলবাড়িয়া ইউপি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন জেলা প্রশাসক

নারিকেলবাড়িয়া ইউপি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন জেলা প্রশাসক

ইরাকে বাসে আগুন, নিহত অন্তত ২১

ইরাকে বাসে আগুন, নিহত অন্তত ২১

উখিয়ার রহমতের বিল থেকে ১৯ রোহিঙ্গা আটক

উখিয়ার রহমতের বিল থেকে ১৯ রোহিঙ্গা আটক

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App