বদলে যাচ্ছে শেখ হাসিনা যুব ইনস্টিটিউটের নাম
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৪, ০১:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
বদলে যাচ্ছে শেখ হাসিনা যুব ইনস্টিটিউটের নাম। নতুন নাম হবে বাংলাদেশ জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট। রবিবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রথম দিন অফিসে এসে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন সদ্য দায়িত্ব নেয়া যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, যুব ক্রিড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে শেখ হাসিনা যুব ইনস্টিটিউটের নাম পরিবর্তন করা হবে। বাংলাদেশের গণহত্যার সঙ্গে শেখ হাসিনার নাম জড়িতে আছে। সহস্র-হাজার শিক্ষার্থী মারা গেছে, আমরা মনে করি তিনি এর সঙ্গে যুক্ত। তাই শেখ হাসিনা যুব ইনস্টিটিউটের নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট করা হবে।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, আপনারা জানেন জাতীয়ভাবে আমরা একটি কঠিন সময় পার করছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা আমাদের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা বাংলাদেশ ভেন্যু হওয়ার ক্ষেত্রে হুমকির মুখে আছে। এ বিষয়ে আমরা বিসিবির সঙ্গে আলোচনা করেছি।
এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কতদিন ক্ষমতায় থাকবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ঠিক যতদিন দরকার আমরা ততদিনই থাকবো এই দায়িত্ব পালন করতে। আমাদের যারা আছেন এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে তাদের কারোই ক্ষমতা ধরে রাখার অভিলাষ নেই।
তিনি বলেন, আমরা বিসিবির সঙ্গে কথা বলেছি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এই বিষয়ে আমাদের কিছু কাজ করতে হবে। আমি আজকেই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলবো। তিনি যেহেতু একজন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। তিনি অবশ্যই আমাদের সহায়তা করবেন। আমরা এই বিষয়ে সবার সঙ্গেই কথা বলব। কিছু দেশের ভ্রমণ নিষেধাঞ্জা আছে, সেগুলো যাতে দ্রুত সমাধান করা যায়।
আমাদের যে কাজগুলো চলমান আছে, সেগুলো যাতে দ্রুত শেষ করা যায় সেই বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে। আর বিসিবির বিষয়ে বলতে চাই, তারা যেহেতু একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, তাদেরকে আমরা তো আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। আমরা তাদেরকে পরামর্শ দেয়া ও নিতে পারব। আর বিসিবির সভাপতি অনুপস্থিত আছেন। অবশ্যই একটা সংস্থাকে কাজ করতে হলে সবার উপস্থিতি প্রয়োজন।
সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যেহেতু তিনি অনুপস্থিত আছেন, তাই আমরা বিসিবির যারা পরিচালক আছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আইসিসির আইন মেনে যেটা করার, সেটাই করবেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য কাউকে নিয়োগ দেয়া যায় কি না সেই বিষয়টিও দেখতে বলেছি।
