এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে সরকারের ৫ উদ্যোগ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার সুযোগ, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের দুটি ভুল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর প্রদান এবং প্রশ্নপত্র প্রণয়নে দায়ীদের সাময়িক বরখাস্ত।
বুধবার (১৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এসব তথ্য জানান।
ভোরের কাগজের পাঠকদের জন্য মাহদী আমিনের ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
আজ চট্টগ্রাম বোর্ড ব্যতীত সারাদেশে ২ হাজার ৫৮৩টি পরীক্ষা কেন্দ্রে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য উন্নতির পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও যথেষ্ট উদ্দীপনা ও উৎসাহ নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। সম্প্রতি বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষা গ্রহণে জটিলতা নিরসনে নির্বাচিত সরকার সময়োপযোগী ও শিক্ষার্থীবান্ধব কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
১। সারাদেশের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ, এবং অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে, বিপুল-সংখ্যক সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষার্থীর স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে, সর্বসম্মতিক্রমে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারাদেশে পরীক্ষা চালু রাখা হয়েছে।
২। কোথাও যাতায়াত বা জলাবদ্ধতার কারণে সমস্যা হলে প্রয়োজনে কেন্দ্র পরিবর্তন, পরীক্ষা স্থগিত, কিংবা পরীক্ষার সময় বৃদ্ধিসহ যে কোনো প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৩। প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা সংশ্লিষ্ট অনিবার্য কারণে যারা চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, সেই অনুপস্থিত শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতোমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন পরীক্ষাপত্রে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।
৪। পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের দুটি ভুল প্রশ্নের জন্য সকল পরীক্ষার্থীকে ফুল মার্কস দেওয়া হবে।
৫। পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নে দায়ী ব্যক্তিদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, সরকারের কাছে এইচএসসি কেবল একটি পাবলিক পরীক্ষা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তাই পরীক্ষা পরিচালনায় সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করাকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
