মন্ত্রিসভায় রদবদলের জোর গুঞ্জন, কপাল পুড়তে পারে শিক্ষামন্ত্রী মিলনের
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদলের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম। দুর্যোগকালীন পরীক্ষা গ্রহণ নিয়ে নেওয়া কয়েকটি সিদ্ধান্ত ও বক্তব্যে সরকার বিব্রত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। ফলে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের দায়িত্বে পরিবর্তন আসতে পারে বলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর আলোচনা চলছে।
৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা নিয়ে যাত্রা করা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারে বড় ধরনের রদবদলের গুঞ্জন উঠেছে। তবে সম্ভাব্য এই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য, সড়ক পরিবহন ও কৃষিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়েও নতুন মুখ আসতে পারে। পাশাপাশি মন্ত্রিসভার পরিধি বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা চলছে।
দুর্যোগকালীন পরীক্ষা গ্রহণ নিয়ে নেওয়া কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বিব্রত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ কারণে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে অন্য মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে শিক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহাদী আমিনকে। তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত নেতৃত্বের মাধ্যমে শিক্ষা খাতের সংস্কার আরও গতিশীল করতেই এমন ভাবনা চলছে বলে জানা গেছে।
আরো পড়ুন : মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের গুঞ্জন, বাড়তে পারে মন্ত্রিসভার আকার
সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারের উন্নয়ন এজেন্ডা দ্রুত বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই সম্ভাব্য রদবদলের ছক সাজানো হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
এর আগে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ৪৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। পরে ধাপে ধাপে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ জনে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, তারেক রহমান সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যাও সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। রাজনৈতিক সূত্র বলছে, সম্ভাব্য এই রদবদলে বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ নেতা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টামণ্ডলীতে যুক্ত হতে পারেন।
জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এটি কোনো বিচিত্র ব্যাপার নয়, বরং অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আসাটাই নিয়ম। তবে তার মানে এই নয় যে, এটি এখনই হবে কিংবা নির্দিষ্ট কোনো সময়েই হতে হবে। এগুলো নিয়ে কথা বলার একমাত্র এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর। তিনি যখন উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, তখনই কাউকে নতুন দায়িত্ব দিতে পারেন কিংবা কারও দায়িত্ব পরিবর্তন করতে পারেন।’
