ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
দেশে ১০টি আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে প্রথম পর্যায়ে ১০টি অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেন, এ তালিকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ওসমানী স্টেডিয়ামে খালেদা জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত স্পোর্টস ভিলেজগুলোতে ইনডোর গেমস, আর্চারি, শুটিং, সাঁতারসহ আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন ক্রীড়া সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
আরও পড়ুন: ৩০ মিনিটের হাফটাইম বিতর্কে অবস্থান স্পষ্ট করল ফিফা
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ, দক্ষ ও মাদকমুক্ত জাতি গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছেন। বর্তমান প্রজন্মকে মোবাইল ও ডিজিটাল ডিভাইসের অতিরিক্ত আসক্তি থেকে দূরে রেখে মাঠমুখী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমে বাধ্যতামূলক করার বিষয়েও কাজ চলছে।
মো. আমিনুল হক বলেন, জাতি গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এজন্য সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, যেখানে খালি জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ইতোমধ্যে দেশের ৩০০ জন সংসদ সদস্যের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে, যাতে প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত আট বিঘা জমিতে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণ করা যায়। আগামী পাঁচ বছরে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে খেলাধুলার উপযোগী মাঠ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
আরও পড়ুন: মেসির ঘাড়ে এমবাপ্পের নিঃশ্বাস!
টুর্নামেন্টের ফাইনালে নারায়ণগঞ্জ ফুটবল একাডেমি ও বন্ধন কোচিং সেন্টারের মধ্যকার ম্যাচ নির্ধারিত সময়ে ড্র হয়। পরে টাইব্রেকারেও দুই দল সমান গোল করায় আয়োজকরা উভয় দলকেই যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ, আজহারুল ইসলাম মান্নান, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজিব এবং মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
