×

জাতীয়

‘জুলাইয়ের ইতিহাস মুছে ফেলা সম্ভব নয়’

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩১ পিএম

‘জুলাইয়ের ইতিহাস মুছে ফেলা সম্ভব নয়’

ছবি : সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থান কেবল একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘটনা নয়; এটি মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যবিরোধী আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ। শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, পেশাজীবী, শ্রমজীবীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে তৈরি জুলাইয়ের ইতিহাস কোনোভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা।

রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) আয়োজনে ‘এনডিএফ থার্টি-সিক্সথ জুলাই সেলিব্রেশন ২০২৬’ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

‘দ্য জুলাই আপরাইজিং: এ নিউ বিগিনিং’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকা, স্বেচ্ছাসেবকদের অবদান এবং জুলাইয়ের চেতনাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মালেক বলেন, জুলাই মানুষের হৃদয়, কর্ম, পেশা ও স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকবে। হাজারো পেশাজীবী, দিনমজুর ও রিকশাচালক জুলাইয়ে রক্ত দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের ইতিহাস কোনোভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, জুলাইয়ের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যে আত্মত্যাগ ও রক্তের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে, তা প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্মরণ করবে।

জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল রাফি বলেন, আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আজীবন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ব্যবস্থাও অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, দেশের জন্য যারা আত্মত্যাগ করেছেন এবং আহত হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানো চিকিৎসক সমাজের নৈতিক দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসায় চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত ভূমিকার কথা তুলে ধরেন ডা. মোহাম্মদ আলী আফতাব।

তিনি জানান, জুলাইয়ের সময় তার দায়িত্ব সরাসরি রোগী চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। চিকিৎসকদের কার্যক্রম সমন্বয়, তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার কাজে তিনি যুক্ত ছিলেন। এ কার্যক্রমের প্রধান কেন্দ্র ছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। পাশাপাশি ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালসহ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালেও আহতদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করা হয়।

ডা. আলী আফতাব বলেন, জুলাইয়ের সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে একের পর এক গুলিবিদ্ধ ও গুরুতর আহত রোগী আসতে থাকেন। অনেককে রাস্তায় পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। গুরুতর আহতদের দ্রুত শ্বাসনালি সচল করা, রক্ত দেওয়া, একাধিক আইভি লাইন স্থাপন, ড্রেসিং, ইনটিউবেশনসহ নানা ধরনের জরুরি চিকিৎসা দিতে হয়েছে।

একজন গুলিবিদ্ধ রোগীর চিকিৎসায় একই সময়ে চার থেকে পাঁচজন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে কাজ করতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাভাবিক সময়ে রোগীর সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা থাকেন এবং বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করেন। কিন্তু জুলাইয়ের সময় অধিকাংশ আহতের সঙ্গে কোনো স্বজন বা পরিচর্যাকারী ছিলেন না। ফলে চিকিৎসকদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরাও রোগী ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বিটিভিতে কাজী জেসিনের নিয়োগে আইনি ত্রুটি

বিটিভিতে কাজী জেসিনের নিয়োগে আইনি ত্রুটি

চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর ঘোষণা

চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর ঘোষণা

১০০ টাকায় ভাত-মাংস বিক্রি করে ভাইরাল, সেই ‘মিজান’ গ্রেপ্তার

১০০ টাকায় ভাত-মাংস বিক্রি করে ভাইরাল, সেই ‘মিজান’ গ্রেপ্তার

সরকার সব প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করছে: জামায়াত আমির

সরকার সব প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করছে: জামায়াত আমির

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App