নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানালো যেসব দেশ
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছে ভারত, পাকিস্তান, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড। পৃথক অভিনন্দন বার্তায় দেশগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এক অভিনন্দন বার্তায় মির্জা ফখরুলের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও জনজীবনের অভিজ্ঞতা দেশের জনগণের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী।
ভারতের রাষ্ট্রপতি দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক বন্ধন ও বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, যোগাযোগ, যুব, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে দুই দেশের অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে তিনি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা জানান।
এদিকে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। তিনি মির্জা ফখরুলকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান। অভিনন্দন বার্তায় জারদারি আশা প্রকাশ করেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা উল্লেখ করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সাম্প্রতিক ইতিবাচক অগ্রগতিকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: মির্জা ফখরুলকে নিয়ে তাসনিম জারার আবেগঘন স্ট্যাটাস
চীনের দূতাবাসও মির্জা ফখরুলকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে। এক বার্তায় তারা জানায়, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে তারা অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। নতুন যুগে দুই দেশের জনগণের জন্য আরও সুফল বয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চীন প্রস্তুত।
যুক্তরাজ্য দূতাবাস অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা জানিয়েছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি।
ফ্রান্স দূতাবাসও মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকার কথা স্মরণ করেছে। পাশাপাশি দুই দেশের বন্ধুত্ব ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
অন্যদিকে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের পক্ষ থেকেও নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও জোরদারে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
