দেশজুড়ে লোডশেডিং নিয়ে বড় সুখবর
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎকেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণ, সঞ্চালন ও গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা চাহিদার কারণে দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিং তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) পাঠানো এক বার্তায় বিভাগটি জানায়, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর্যাপ্ত সক্ষমতা থাকলেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে কারিগরি সমস্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে উৎপাদন কমে গেছে।
এর পাশাপাশি সঞ্চালন ও গ্রিড ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। লোডশেডিংয়ের চাপ কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
আরও পড়ুন: হজ কার্যক্রমে অনুমতি পেলো আরও ৩৮ এজেন্সি
বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্নতা এড়াতে ঢাকার দুই বিতরণ সংস্থা ডিপিডিসি ও ডেসকোর আওতাধীন এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী লোডশেডিং সমন্বয় করা হচ্ছে।
ঢাকায় লোডশেডিং সমন্বয়ের মাধ্যমে সাশ্রয় হওয়া বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলসহ দেশের অন্যান্য এলাকায় সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ঢাকার বাইরের শিল্প-কারখানাসহ গুরুত্বপূর্ণ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের চাপও কমানো সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিভাগটি।
বিদ্যুৎ বিভাগের ভাষ্য, এভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের চাপ তুলনামূলকভাবে সুষমভাবে বণ্টন করা যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্য বজায় রাখা এবং কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা গ্রাহক শ্রেণিকে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎবঞ্চিত না রাখাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা পুনরুদ্ধার এবং গ্রিডের সীমাবদ্ধতা দূর করা গেলে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
আরও পড়ুন: প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগে বড় সুখবর
এদিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রীয় সংস্থা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে দেশে লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ২৫৯ মেগাওয়াট। ওই সময় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ১৭৬ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৩ হাজার ৯১৭ মেগাওয়াট।
