৩ কোটি টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ করল যৌথবাহিনী
বিকুল চক্রবর্তী মৌলভীবাজার
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন এলাকায় বিজিবি, র্যাব ও জেলা প্রশাসনের যৌথ টাস্কফোর্সের অভিযানে প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই শাড়ি ও কসমেটিকস জব্দ করা হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ৪৬ বিজিবি।
বিজি বিসি বগল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, শনিবার বিকেল শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারতীয় অবৈধ পণ্য পাচারের তথ্য পেয়ে শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি), হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি), র্যাব ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে যৌথ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি ও বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পণ্যের প্রাথমিক সিজার মূল্য আনুমানিক ৩ কোটি টাকা।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি)-এর উপ-অধিনায়ক মেজর মাহবুবুল হক। এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষে শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
আরো পড়ুন: আসামিকে জামিন পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি)-এর উপ-অধিনায়ক মেজর মাহবুবুল হক বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ শাড়ি ও কসমেটিকস জব্দ করেছি। চোরাচালান প্রতিরোধ ও সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পণ্য প্রবেশ বন্ধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুল ইসলাম বলেন, “আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়েছে। চোরাচালান ও অবৈধভাবে আমদানি করা পণ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।”
বিজিবি জানায়, অবৈধভাবে আমদানি ও পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহন করা এসব পণ্য আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামাল পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। একই সঙ্গে চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণের সহযোগিতা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে।
