×

পর্যটন

জাফলং

প্রকৃতির টানে লাখো পর্যটক, মাঠের অবকাঠামোর বেহাল দশা

Icon

সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৭:১১ পিএম

প্রকৃতির টানে লাখো পর্যটক, মাঠের অবকাঠামোর বেহাল দশা

ছবি: সংগৃহীত

পাহাড়ের সবুজ, পিয়াইনের স্বচ্ছ জল, পাথরের বিছানা, ঝরনার কলতান আর ওপারে ভারতের মেঘালয়ের পাহাড়—প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে সিলেটের জাফলং যেন ছবির মতো এক পর্যটনভূমি। এই সৌন্দর্যের টানেই প্রতিদিন ছুটে আসেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। ছুটির দিন ও বিশেষ উৎসবে পর্যটকের ঢল নামে।

কিন্তু পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও সেই অনুপাতে গড়ে ওঠেনি পর্যটন অবকাঠামো ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা। পর্যটন উন্নয়নে সরকারি পরিকল্পনা ও মহাপরিকল্পনা হয়েছে, এসেছে একাধিকবার উন্নয়নের আশ্বাসও। তবে ২০২৬ সালে এসেও এসব পরিকল্পনার বড় কোনো দৃশ্যমান প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না জাফলংয়ের মাঠপর্যায়ে।

সম্প্রতি সরেজমিনে জাফলং ঘুরে দেখা গেছে, প্রধান পর্যটন স্পটগুলোতে অপরিকল্পিত দোকানপাট, অপর্যাপ্ত ডাস্টবিন, দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পার্কিং সংকট, মানসম্মত টয়লেট ও বিশ্রামের জায়গার অভাব রয়েছে। বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাও পর্যটকের তুলনায় অপ্রতুল। পর্যটকের নিরাপত্তায় নিয়োজিত জনবলও প্রয়োজনের তুলনায় সীমিত।

আরও পড়ুন: হঠাৎ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ৩ নার্সের তাৎক্ষণিক বদলি

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, বিশেষ দিনগুলোতে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের চাপ সামলানোর মতো কোনো বৈজ্ঞানিক পর্যটক ধারণক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে একদিকে যেমন পরিবেশের ওপর বাড়ছে চাপ, অন্যদিকে অবকাঠামোর ওপরও তৈরি হচ্ছে অতিরিক্ত চাপ।

ছবি: সংগৃহীত

প্রবেশপথেই অব্যবস্থাপনার চিত্র

৩০ আগস্ট সরেজমিনে জাফলংয়ের বিভিন্ন পর্যটন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পুরোনো প্রধান প্রবেশপথ বল্লাঘাট পিকনিক সেন্টারে পর্যটকের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। জেলা পরিষদের ডাকবাংলোসহ পুরোনো স্থাপনা থাকলেও সেখানে নতুন কোনো বড় পর্যটন আকর্ষণ বা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা গড়ে ওঠার চিত্র চোখে পড়েনি।

অন্যদিকে বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন দ্বিতীয় প্রবেশপথে ছিল তুলনামূলক বেশি পর্যটকের চাপ। সেখানে সরকারি পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে রাখা হচ্ছে ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও অন্যান্য যানবাহন। ছুটির দিনে এ কারণে যানজট তৈরি হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।

জিরো পয়েন্টের প্রবেশমুখে দোকানপাটের আশপাশ ও বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন লালমাটি এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বর্জ্যও চোখে পড়ে। কোথাও কোথাও ময়লার স্তূপ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে দেখা যায়।

পর্যটকদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত দোকানপাট, চেঞ্জিং রুম ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনার কারণে জিরো পয়েন্টের মূল প্রাকৃতিক দৃশ্য অনেক সময় ঠিকমতো দেখা যায় না। ছবি তুলতেও বাধার মুখে পড়তে হয়।

তবে এসব অব্যবস্থাপনা প্রকৃতির আকর্ষণে কোনো ভাটা ফেলেনি। ঝরনা এলাকায় ছিল পর্যটকদের সবচেয়ে বেশি ভিড়। কেউ পানিতে নেমে আনন্দ করছেন, কেউ ছবি তুলছেন, আবার কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।

এর মধ্যেই অনেককে সতর্কতামূলক নির্দেশনা উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে উঠতেও দেখা গেছে। পর্যটকদের এমন আচরণ নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


টয়লেট আছে, ব্যবহারযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন

জাফলংয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মিত কিছু টয়লেট থাকলেও সেগুলোর ব্যবহার সীমিত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বেসরকারি টয়লেটগুলোর পরিচ্ছন্নতা ও মান নিয়েও পর্যটকদের অভিযোগ রয়েছে।

নারী, শিশু ও বয়স্ক পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্ত বসার ও বিশ্রামের জায়গা নেই। গরমের মধ্যে বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন সরু সিঁড়ি দিয়ে বিপুলসংখ্যক পর্যটককে ওঠানামা করতে দেখা যায়। বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাও পর্যটকের চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। ফলে অনেক পর্যটককে বোতলজাত পানি কিনে নিতে হচ্ছে।


পরিকল্পনার আরেক উদাহরণ পাথর জাদুঘর

জাফলংয়ের পর্যটন ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ফারাকের দৃশ্যমান উদাহরণ হয়ে আছে পাথর জাদুঘর। বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এ স্থাপনাটি জাফলংয়ের ভূতাত্ত্বিক বৈচিত্র্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে এর রক্ষণাবেক্ষণ ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্বোধনের পর কিছুদিন কার্যক্রম থাকলেও এখন এটি অনেকটাই অরক্ষিত ও অযত্নে পড়ে আছে। চারপাশে ঝোপঝাড়, ভাঙা কাচ ও অব্যবস্থাপনার চিত্র রয়েছে।

বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূতাত্ত্বিক নমুনা সংরক্ষণ এবং দর্শনার্থীদের ভূতত্ত্ব সম্পর্কে ধারণা দিতে এ ধরনের জাদুঘরের গুরুত্ব রয়েছে। জাফলংয়ে আঞ্চলিক অফিস, জাদুঘর, গবেষণাগার ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এসব অবকাঠামোর যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে।


পরিবেশ সুরক্ষায়ও বড় ঘাটতি

জাফলং পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকা। পর্যটকের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। পর্যাপ্ত ডাস্টবিন না থাকায় নদীর তীর, পর্যটন স্পট ও দোকানপাটের আশপাশে বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায়।

সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, জাফলং পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল ও সংরক্ষিত এলাকা। পর্যটন এলাকায় ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থাকা দুঃখজনক। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পর্যটন বোর্ডের সঙ্গেও সমন্বয় করে কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে জাফলংসহ প্রায় ১৪ দশমিক ৯৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এর পরও পর্যটন ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষার মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় মাঠপর্যায়ে পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়নি।


মহাপরিকল্পনা আছে, বাস্তবায়ন কোথায়?

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের মহাপরিকল্পনায় জাফলংকে গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরিকল্পনায় পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো, আধুনিক টয়লেট, বসার স্থান, বর্জ্য রাখার পাত্র, বিশুদ্ধ পানি, নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড, হাঁটার পথ ও দর্শনীয় স্থান উন্নয়নের কথা রয়েছে।

এ ছাড়া নদীকেন্দ্রিক পর্যটন, প্রকৃতি, সীমান্ত, আলোকচিত্র, ঝরনা ও স্থানীয় সংস্কৃতিকে ঘিরে জাফলংয়ে বৈচিত্র্যময় পর্যটন গড়ে তোলার সম্ভাবনাও চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান জানান, বোর্ডের খসড়া মহাপরিকল্পনা পর্যটন মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর আন্তঃমন্ত্রণালয় পত্র বা দাপ্তরিক স্মারক পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে দেওয়ার পর অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অর্থাৎ জাফলংয়ের পর্যটন উন্নয়নে পরিকল্পনা রয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও অর্থ বরাদ্দ এখনো শেষ হয়নি।


সীমিত জনবলে নিরাপত্তা

পর্যটন পুলিশের জাফলং জোনের ইনচার্জ ওসি তপন তালুকদার বলেন, বিভিন্ন স্থানে পর্যটকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হলেও অনেকে তা অমান্য করে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেন। সাপ্তাহিক ছুটিতে পর্যটকের সংখ্যা বাড়ে। অন্য সময়ও বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসেন। পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে গেলে সীমিত জনবল দিয়ে চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে।

তিনি জানান, মাঝেমধ্যে বিদেশি পর্যটকরাও জাফলংয়ে আসেন। ভাষাগত সহযোগিতার প্রয়োজন হলে বাহিনীর কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সহযোগিতা করা হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের হিসাবে, সাধারণ সময়েও জাফলংয়ে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সমাগম হয়। ছুটির দিন ও বিশেষ উৎসবে এই চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তবে এটি সরকারি পর্যটন-পরিসংখ্যান নয়; মাঠপর্যায়ে স্থানীয়দের দেওয়া হিসাব।

পর্যটকের এই চাপের বিপরীতে জাফলংয়ের পরিবেশ, নদী, সড়ক, টয়লেট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা অবকাঠামোর ওপর কতটা চাপ পড়তে পারে, তার বৈজ্ঞানিক ধারণক্ষমতাও এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।


পাথর-বালি বন্ধ, পর্যটনেই বিকল্প কর্মসংস্থানের আশা

জাফলংয়ের অর্থনীতি দীর্ঘদিন পাথর ও বালি উত্তোলনকেন্দ্রিক ছিল। আইনি নিষেধাজ্ঞায় এসব কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেকেই বিকল্প পেশার দিকে ঝুঁকছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিরা মনে করছেন, পরিকল্পিত পর্যটন খাতই হতে পারে এই জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ।

বৃহত্তর জাফলং পর্যটন ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, একসময় পর্যটন ব্যবসায় যুক্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ১০ থেকে ১৫০ জনের মতো। বর্তমানে তাঁর সংগঠনের সঙ্গে প্রায় দেড় হাজার সদস্য যুক্ত। ছুটির দিনে পর্যটক বাড়লে আয় ভালো হয়; অন্য সময় টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে।

তিনি জাফলংয়ে পানি ব্যবস্থাপনার সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর সমাধান হয়নি। জাফলং টুরিস্ট ক্লাবের সভাপতি লোকমান মিয়া বলেন, বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জাফলং পরিদর্শনে এসে পর্যটন উন্নয়নের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু মাঠে বড় কোনো পরিকল্পনার দৃশ্যমান বাস্তবায়ন হয়নি।

পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, যুগের পর যুগ জাফলং দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করছে। এই সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে জাফলংকে সরকারি মহাপরিকল্পনার আওতায় এনে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এখানকার অনেক মানুষের প্রধান জীবিকা ছিল পাথর ও বালি উত্তোলন। এসব কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেকে বিকল্প পেশায় ঝুঁকছেন। পর্যায়ক্রমে অসংখ্য মানুষ পর্যটন ব্যবসায় আগ্রহী হচ্ছেন। স্থানীয় কর্মসংস্থানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জাফলংকে পরিকল্পিত পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি।


আন্তর্জাতিক পর্যটনের সম্ভাবনা, সেবায় ঘাটতি

জাফলংয়ের আন্তর্জাতিক পর্যটনের সম্ভাবনাও রয়েছে। মাঝেমধ্যে বিদেশি পর্যটকের আগমন ঘটলেও আন্তর্জাতিক মানের প্রয়োজনীয় সেবা কাঠামো এখনো গড়ে ওঠেনি।

তথ্যসেবা, নির্দেশনা, বহুভাষিক সহায়তা, মানসম্মত টয়লেট, নিরাপদ চলাচল এবং ডিজিটাল তথ্যসেবায় রয়েছে ঘাটতি। অথচ ভারতের মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা জাফলংকে আন্তর্জাতিক পর্যটনের উপযোগী করে তুলতে এসব সেবা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক মেহেদী হাসান বলেন, জাফলংয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাঁকে মুগ্ধ করেছে। তবে চলাচলের রাস্তা, বসার জায়গা ও বিশ্রামাগারের অভাব তাঁকে হতাশ করেছে। তারপরও তিনি আবার জাফলংয়ে আসতে চান।

ঢাকার পর্যটক নাজমুল হক চৌধুরী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জাফলংয়ে এসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছেন। তবে তাঁর মতে, পর্যটন ব্যবস্থাপনায় আরও পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

৪ পুলিশ সুপারকে বদলি

৪ পুলিশ সুপারকে বদলি

আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে আয়োজিত সেমিনার বন্ধ করল দিল্লির পুলিশ

আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে আয়োজিত সেমিনার বন্ধ করল দিল্লির পুলিশ

কাল মন্ত্রিসভায় উঠছে পে স্কেল, বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপনের আভাস

কাল মন্ত্রিসভায় উঠছে পে স্কেল, বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপনের আভাস

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে পার্বতীপুরে উত্তেজনা, সংঘাতের আশঙ্কা

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে পার্বতীপুরে উত্তেজনা, সংঘাতের আশঙ্কা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App