রাশেদ খাঁন
এনসিপি এখন জামায়াতের শিশু সংগঠন
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল চেতনার অনেক নেতা-নেত্রী এনসিপি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। তাদের মধ্যে তাসনিম জারাও রয়েছেন। এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে মিশে যাওয়ায় এসব তরুণ নেতা দলটি ছেড়েছেন। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে মূলত এনসিপি বলতে কিছু নেই। যা আছে, তা জামায়াতের ‘শিশু সংগঠন’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
গতকাল শনিবার সকালে ঝিনাইদহ সদরের মুরারীদহ এলাকায় ঐতিহ্যবাহী মিয়ার দালান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।
জুলাই আন্দোলন নিয়ে এনসিপির নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, দলটি এখন এর কৃতিত্ব দাবি করছে। নাহিদ ইসলাম ও মাহফুজ আলম দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে নিজেদের এই আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। মাহফুজ আলম মূলত নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর শফিকুর রহমানের ‘মুখোশ’ উন্মোচিত হয়েছে। তার দাবি, শফিকুর রহমানই সর্ব প্রথম আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন এবং এই আন্দোলনের সঙ্গে তিনিই প্রথম বেইমানি করেছেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, এনসিপির নেতা নাহিদ ইসলাম আগে জামায়াতকে স্বাধীনতাবিরোধী এবং দেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী বলে বক্তব্য দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তারাই জামায়াতের ‘পকেটবন্দি’ হয়েছে। এনসিপির যেসব প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, তাদের সব খরচ জামায়াত দিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, বিরোধী দলের অনেক এমপি এখন সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের সমান সুযোগ-সুবিধা
দাবি করছেন। তার মতে, তারা সরকারি দলের এমপিদের মতোই সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। এরপরও সরকারের বিরুদ্ধে তারা বিষোদগার করছেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় বিরোধী দল কোনো সুযোগ-সুবিধা পেত না। সেই তুলনায় বিএনপি সরকার বিরোধী দলকে অনেক সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে এবং মূল্যায়ন করছে। এরপরও জামায়াত ও এনসিপির এমপিদের অবস্থাকে ‘সুখে থাকতে ভূতে কিলাচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
