৬ ঘণ্টার ব্যবধানে না ফেরার দেশে পাড়ি মামা ও ভাগনির
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন মারা গেছেন। তারা হলেন- ২৪ বছর বয়সী মো. শাহীন ও ৮ বছর বয়সী হাফসা। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে শিশু হাফসা ও গতকাল শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে শাহীনের মৃত্যু হয়। এর মধ্য দিয়ে ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে মামা-ভাগনি দুজন না ফেরার দেশে পারি জমালেন। রাজধানীর ভাটারায় গ্যাসলাইনে লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় তারা দুজন দগ্ধ হয়েছিলেন। একই ঘটনায় পরিবারের আরো এক দগ্ধ সদস্য আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার ভোরের দিকে রাজধানীর ভাটারার নতুন বাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার বাসায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধ হওয়ার পরপরই তিনজনকে চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছিল। দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, নিহত শাহীন একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। পরিবার নিয়ে নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের ওই ভবনের নিচতলায় থাকতেন তিনি। ঘটনার দিন বিকট শব্দে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে এনে ভর্তি করা হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভাটারা এলাকা থেকে দগ্ধ হয়ে তিনজন হাসপাতালে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে শাহীন গতকাল সকাল ৬টায় আইসিইউতে মারা যান। তার শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এর আগে তার ভাগনি হাফসা গত রাত ১২টার দিকে আইসিইউতে মারা যায়; তার শরীরে ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় দগ্ধ শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
