×

যুক্তরাষ্ট্র

ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে ২২ বিলিয়ন ডলার খরচ করবে যুক্তরাষ্ট্র

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৪ পিএম

ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে ২২ বিলিয়ন ডলার খরচ করবে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি : সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের পর মজুত ঘাটতি পূরণে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর অংশ হিসেবে অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রেথিয়নের সঙ্গে ২২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এসএম-৬ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে এ চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়। আরব নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পেন্টাগনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসএম-৬ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশপথ ও সমুদ্রপৃষ্ঠের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাঁচ বছর মেয়াদি এ চুক্তিতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে ক্ষেপণাস্ত্রটির উৎপাদন কার্যক্রম দ্রুত বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা দপ্তর।

মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ‘স্ট্যান্ডার্ড মিসাইল-৬’ বা এসএম-৬ ইন্টারসেপ্টরের নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা। ক্ষেপণাস্ত্রটি আক্রমণাত্মক অভিযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা—দুই ধরনের সামরিক কার্যক্রমেই ব্যবহারের সক্ষমতা রাখে।

পেন্টাগনের ভাষ্য, দীর্ঘমেয়াদি এ ধরনের চুক্তি প্রতিরক্ষা শিল্পকে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে জনবল বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ ব্যবস্থা আরও সুরক্ষিত রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

চলতি বছর অস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরির অংশ হিসেবে পেন্টাগন বেশ কয়েকটি বড় চুক্তি করেছে। এর আগে সেপ্টেম্বরে আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদনের জন্য রেথিয়নের সঙ্গে ২০ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর উৎপাদনে লকহিড মার্টিনের সঙ্গে ৫৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করা হয়।

তবে শিল্প খাতের কয়েকজন কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, এসব চুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ এখনো মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন পায়নি। ফলে আইনপ্রণেতারা অর্থ বরাদ্দ না করা পর্যন্ত ঠিকাদারদের পক্ষে বড় পরিসরে বিনিয়োগ করা কঠিন হতে পারে।

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে বিপুল গোলাবারুদ ব্যবহারের কারণে মার্কিন কৌশলগত মজুতে ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। গত মাসে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শক জানান, ইরানবিরোধী অভিযানে গোলাবারুদ ব্যবহারের ফলে কৌশলগত মজুতে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন করে গোলাবারুদ সরবরাহের ক্ষেত্রে মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাও সামনে এসেছে।

এ ছাড়া ১৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের এক প্রতিবেদনে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরঞ্জামের ওপর চাপের কথা উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, এর প্রভাবে আগামী কয়েক বছর যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত সীমিত থাকতে পারে।

এদিকে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে আলোচনা হচ্ছে। তবে সম্ভাব্য নতুন হামলা বা সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে প্রকাশিত দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট সূত্র ও প্রতিবেদনের বক্তব্য হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

মেয়ের বিচ্ছেদে দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা

মেয়ের বিচ্ছেদে দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা

৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App