×

সাহিত্য

জিএসপি প্লাস সিদ্ধান্তে সর্বোচ্চ ক্ষমতা রাখে ইইউ পার্লামেন্ট

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৩, ১০:০৫ পিএম

জিএসপি প্লাস সিদ্ধান্তে সর্বোচ্চ ক্ষমতা রাখে ইইউ পার্লামেন্ট

ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে প্রস্তাবিত রেজ্যুলেশনটি ইইউ পার্লামেন্টের বিবেচনার বিষয় বলে জানিয়েছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের টেক্সটাইল এবং রেডিমেড গার্মেন্টস খাতে সবুজ উত্তরণ নিরাপদ করণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি অংশ নেন। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন চার্লস হোয়াইটলি। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওই অনুষ্ঠানে। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুনের সভাপতিত্বে সবুজ গার্মেন্টস কারখানা নিয়ে কি নোট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সিপিডির রিসার্চ ফেলো মুনতাসির কামাল। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার বার্গ ভন লিন্ডে, বাংলাদেশ গার্মেন্টস পণ্য উৎপাদক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সহ-সভাপতি মো. শহীদুল্লাহ আজিম প্রমুখ। ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, সাংবিধানিক আইন নিয়ে আমি ডক্টরেট নই। বাণিজ্য, আইন, প্রণোদনা এবং জিএসপি প্লাসের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পার্লামেন্ট সর্বোচ্চ ক্ষমতা রাখে। রাষ্ট্রদূত বলেন, আমার মতামত হলো, জিএসপি প্লাস প্রণোদনা হিসেবে সুবিধা দেয়ার মাধ্যম। এটা কোনো স্টিক বা ক্যারট নয়। আমি মনে করি, জিএসপি প্লাসে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে তার শর্ত নিয়ে বাংলাদেশ খুবই সচেতন। রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশ ৩২টি আন্তর্জাতিক কনভেনশনের প্রয়োজনীয় শর্ত মেনেই জিএসপি সুবিধা পেয়ে আসছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ অনেকগুলো মানবাধিকার, পরিবেশ, জলবায়ু শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করছে। প্রত্যেকটি রাষ্ট্রই এসব বিষয়ে কাজ করছে এবং ধীরে ধীরে উন্নতি করছে। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, জিএসপি প্লাস সুবিধা দেয়া হয় দেশের উন্নয়নের জন্য, কোনো কারখানা বা নির্দিষ্ট কোনো খাতের উন্নয়নের জন্য দেয়া হয় না। দেশের প্রয়োজনীয়তা, নীতি নির্ধারণে আমাদের সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি হেড থিজ উডস্ট্রা বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণের পরে ন্যূনতম মজুরির ফাঁদ থেকে বের হতে হবে। এ অবস্থায় দেশের তৈরি পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি আর কত দিন পর্যন্ত ৮ হাজার টাকা থাকবে, বর্তমানে এটিই জরুরি প্রশ্ন। থিজ উডস্ট্রা আরো বলেন, বাংলাদেশকে তার গ্রোথ মডেল নিয়ে পুনরায় চিন্তা করা প্রয়োজন। এলডিসি উত্তরণের পরে বাংলাদেশের জন্য একই সঙ্গে সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। ফলে বিষয়টি মাথায় রেখে দেশের পোশাক খাতের ৪৫ লাখ শ্রমিকের কথা আমাদের চিন্তা করতে হবে। বর্তমান বাস্তবতায় শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো ও কাজের পরিবেশ উন্নত করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে সরাতে এবার অভিযান

সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে সরাতে এবার অভিযান

যাদুকাটায় ২৩ কোটি টাকা ভাগাভাগির অভিযোগ, বিশেষ অনুমতিতে একক নিয়ন্ত্রণ

যাদুকাটায় ২৩ কোটি টাকা ভাগাভাগির অভিযোগ, বিশেষ অনুমতিতে একক নিয়ন্ত্রণ

গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল ‌মোটরসাইকেল চালকের

গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল ‌মোটরসাইকেল চালকের

দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৮৮

দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৮৮

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App