মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের হাল ধরবেন যারা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তার বর্তমান সংসদীয় আসন ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) শূন্য হবে। ফলে এ আসনে কে পরবর্তী সংসদ সদস্য হতে পারেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
দলীয় ও স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজনের নাম আলোচনায় এসেছে। মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে আসনটি শূন্য হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন সেখানে উপনির্বাচনের আয়োজন করতে পারে।
সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে মির্জা ফখরুলের বড় মেয়ে ড. শামারুহ মির্জার নাম। গত নির্বাচনে বাবার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
পেশায় চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও গবেষক শামারুহ মির্জা দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। সেখানে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনের নামও আলোচনায় রয়েছে। এর আগে তিনি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও তার সাংগঠনিক ভিত্তি রয়েছে বলে মনে করেন স্থানীয় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তার সংসদীয় আসনটি শূন্য হবে। এরপর নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নতুন সংসদ সদস্য নির্বাচনের আয়োজন করতে পারে।
তবে কে বিএনপির মনোনয়ন পাবেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দলীয় সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে শেষ পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী কে হচ্ছেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের টাকা ছিনতাই, উদ্ধারে ডিবি
১৯৪৮ সালে ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দেশের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তার বাবা রুহুল আমিন (চখা মিয়া) কৃষি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার বড় চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ১৯৭৮ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ভূমিমন্ত্রী এবং ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন। পরে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
