শিক্ষামন্ত্রী
‘এসএসসিতে ২ বিষয়ে ফেল করলেও ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা’
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত
এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পুনঃপরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষায় থাকবে, নাকি তাদের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় স্থানান্তর করা হবে, তা নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মিলনায়তনে ৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিকতার অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে একটি প্রজন্মকে লক্ষ্য করে কাজ শুরু করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এই অবক্ষয় রোধ করা যায়।
তিনি জানান, এ লক্ষ্য সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী এবার চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য সংস্কৃতি, খেলাধুলা, নৈতিকতা এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দের সঙ্গে শেখার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
ঝরে পড়া ও পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা পাস করেছে, তারা তো করেছেই। কিন্তু যারা ঝরে পড়েছে কিংবা পরীক্ষায় ফেল করেছে, তাদের বিষয়টি আগে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। কীভাবে এসব শিক্ষার্থীকে পুনরুজ্জীবিত করে শিক্ষার মূল ধারায় ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।
আরও পড়ুন: ‘ফল প্রকাশের ২ মাসের মধ্যে’ এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা
এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এসএসসিতে আমরা যেটা করব, তা হচ্ছে সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে যারা ফেল করবে, ফলাফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে তাদের পরীক্ষা আবার নেব। ফেলের এ লিগ্যাসি আমরা বছরের পর বছর টেনে নিয়ে যাব না।’
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ১৫ দিনের মধ্যে নেওয়া পুনঃপরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় থাকবে কি না। সেখানে উত্তীর্ণ হতে না পারলে তাদের কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষায় নিয়ে যাওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো পরীক্ষায় অকৃতকার্য ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিন শিক্ষার বাইরে থাকার পরিস্থিতি এড়ানো এবং তাদের জন্য বিকল্প শিক্ষাপথ তৈরি করা।
