ফের পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ১২৭ বার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানো হলো। আগামী ২২ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এ কারণে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২২ জুলাই নতুন দিন নির্ধারণ করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন- রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান।
তাদের মধ্যে তানভীর রহমান খান বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। পলাশ রুদ্র পাল জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক। বাকি আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে নিজ বাসায় হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আরো পড়ুন : গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে
প্রথমে মামলাটির তদন্তভার ছিল থানার এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই) কাছে। ঘটনার চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ মামলার তদন্ত দায়িত্ব ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল মামলার তদন্তভার র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ এবং মামলার তদন্ত থেকে র্যাবকে সরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে গত বছরের ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।
