×

জাতীয়

গুম কমিশনের দ্বিতীয় প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৫, ১১:১৬ এএম

গুম কমিশনের দ্বিতীয় প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে গুমের শিকার ব্যক্তিদের হত্যার পদ্ধতি সম্পর্কে ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে গুম তদন্ত কমিশনের দ্বিতীয় অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনে। শুধু ক্রসফায়ার নয়, হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলা, ইনজেকশন পুশ করে হত্যা, ইটভাটায় পুড়িয়ে দেওয়া কিংবা ট্রেন ও বাসের নিচে ফেলে দুর্ঘটনার নাটক সাজানোর মতো পদ্ধতির কথাও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনের ষষ্ঠ অধ্যায়ে (চ্যাপ্টার ৬) আলোচিত হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর অভ্যন্তরে বিদ্যমান যন্ত্রণা, দ্বন্দ্ব ও মতবিরোধের বিষয়। বহু কর্মকর্তা গুমে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন এবং গুমের শিকার ভুক্তভোগীদের সহায়তা করেছিলেন। তাদের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে এসব তথ্য। এসব কর্মকর্তারা পরবর্তীতে শাস্তি বা নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

কমিশনের সদস্য সাজ্জাদ হোসেন বলেন, অনেক কর্মকর্তা গুমে অংশ নিতে চাননি, কিন্তু বাধ্য হয়েছেন। কারণ ছিল চাকরির নিরাপত্তা, নিজের ও পরিবারের জীবননাশের আশঙ্কা।

আরো পড়ুন : ‘ভ্রাতৃপ্রতিম’ কাতারের বিরুদ্ধে এ হামলা নয়: ইরান

তিনি বলেন, গুমের শিকারদের অনেকে ইনজেকশন পুশ করে হত্যা করা হয়েছে। তাদের মরদেহ ইটভাটায় পুড়িয়ে, নদীতে ফেলে কিংবা যানবাহনের নিচে রেখে দুর্ঘটনার রূপ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গুম পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে একটি তিন স্তরবিশিষ্ট কাঠামো ছিল। যার শীর্ষ স্তরে ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মধ্যম স্তরে ছিলেন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা। সবশেষ স্তরে ছিলেন বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

এই কাঠামোর কারণে অনেকেই গুমের অপারেশন সম্পর্কে জানলেও মুখ খুলতে পারেননি, ভয় ও প্রতিশোধের আশঙ্কায়।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. আমিনুল করিম বলেন, গুম কমিশন ভালো কাজ করছে। তাদের আরো গভীরে যেতে হবে। এমন জঘন্য অপরাধ যেন ভবিষ্যতে আর না ঘটে, তার নিশ্চয়তা দিতে হবে। এ ধরণের কার্যক্রমের পেছনের আসল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি করেন তিনি।

কমিশনের প্রতিবেদনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এখনো গুম সম্পর্কিত অপরাধে দায়মুক্তির সংস্কৃতি বজায় রয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না হওয়ায় তদন্ত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বহাল থাকছে। এখনও আগের মতোই দায়মুক্তির সংস্কৃতি এবং পূর্ববর্তী কাঠামো বহাল রয়েছে, যা তদন্তে বাধা তৈরি করছে।

টাইমলাইন: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

আরো পড়ুন

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

প্রস্তাবিত মানবাধিকার কমিশন আইনে ‘দ্বৈত প্রয়োগ’, জামায়াতের ওয়াকআউট

প্রস্তাবিত মানবাধিকার কমিশন আইনে ‘দ্বৈত প্রয়োগ’, জামায়াতের ওয়াকআউট

চালু হচ্ছে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা

চালু হচ্ছে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা

জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস

জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস

সালমান শাহ: তিন দশক পরও জট খোলেনি মৃত্যু রহস্যের

সালমান শাহ: তিন দশক পরও জট খোলেনি মৃত্যু রহস্যের

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App