সাত পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ঘুষের বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি, দীর্ঘদিন অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং পলাতক থাকার অভিযোগে পুলিশের সাত কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ ও বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন ডিবির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সঞ্চিত কুমার রায়। তিনি ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। ডিএমপির সাবেক উপকমিশনার মানস কুমার পোদ্দার ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।
আরও পড়ুন: গ্যাস সংকটে বন্ধ ৪০০ পোশাক কারখানা
এ ছাড়া রংপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে সুপারনিউমারারি পদোন্নতিপ্রাপ্ত) হাফিজ আল ফারুক একই বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে নেত্রকোনা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে একজনকে উপপরিদর্শক (এসআই) পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১৭ লাখ টাকা দাবি করার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ব্যক্তির কাছ থেকে তার ব্যাংক হিসাবে বিভিন্ন সময়ে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়। পরে চাকরি না হওয়ায় ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইলে তা ফেরত দেওয়া হয়নি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্ত করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা ও অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মোহাম্মদ রোকনুজ্জামানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রাশেদুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ মার্চ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। একইভাবে পুলিশ স্টাফ কলেজের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. হাবিবুল্লাহ দালাল ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি ছুটিতে যাওয়ার পর আর কর্মস্থলে যোগ দেননি।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মস্থলে যোগ না দেওয়ায় মো. রাশেদুল ইসলাম ও মো. হাবিবুল্লাহ দালালকেও চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
