যে কারণে কর্নেল অলিকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করলো ১১ দলীয় ঐক্যে
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতি পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে মনোনীত করা হয়েছে। বিএনপি রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আগ্রহ দেখায়নি, এ কারণেই জোটের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক শেষে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানান নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, জুলাই সনদ এবং রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপি অনীহা দেখিয়েছে। তারা পূর্বতন সরকারগুলোর মতোই এগিয়ে যাচ্ছে। আশা করা হয়েছিল, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটা জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংস্কারের মাধ্যমে হবে। কিন্তু বিএনপি এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, বিএনপি সংস্কারের পথে হাঁটলে ঐক্যবদ্ধভাবে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দল মিলে এককভাবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়া যেত; কিন্তু তারা সেটা করেনি। এ জন্য ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলো জামায়াত জোট
তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবেই এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করা হয়েছে।
এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে এরই মধ্যে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তপশিল অনুযায়ী, আজ থেকে মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু হয়েছে। আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে এরপর। ১৮ আগস্ট মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। আর আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেন জাতীয় সংসদের সদস্যরা। রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে একজন সংসদ সদস্যের প্রস্তাব এবং আরেকজন সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হয়।
