দুর্গাপূজা উপলক্ষে জলঢাকায় উপজেলা প্রশাসনের সভা
জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম
ছবি: ভোরের কাগজ
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব "দুর্গাপূজা" শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে জলঢাকা উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে জলঢাকা উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জলঢাকা উপজেলার নায়েবে আমিরর ও জলঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব কামরুজ্জামান, বিএনপি নেতা রশিদুল ইসলাম বাঙালী, জলঢাকা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারি ও জলঢাকা ক্রীড়া পরিষদের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন, এনসিপি নেতা মোহায়মেনুর রহমান সানা, হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টান ঐক্য পরিষদের জলঢাকা উপজেলার আহ্বায়ক বিভূতিভূষণ রায়, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাবিবুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাহিদুজ্জামান, অফিসার ইনচার্জ জলঢাকার প্রতিনিধি এসআই ফিরোজ আহমেদসহ স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা।
আরও পড়ুন: তাজমিনের সোয়াব-পোশাক পাঠানো হচ্ছে সিআইডির ফরেনসিকে
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসব মুখর পরিবেশে উদযাপনে সবার সহযোগিতা কামনা করে বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপ কমিটিকে নিজ নিজ মণ্ডপে নিজস্ব উদ্যোগে এআই ক্যামেরা কিংবা সম্ভব হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি মণ্ডপের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আনসার ভিডিপি সদস্যসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী কমপক্ষে তিন/চারজন সদস্যকে পর্যায়ক্রমে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব প্রদান করতে হবে। প্রতিমা বিসর্জনের দিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। আজান ও নামাজের সময় বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার বন্ধ অথবা সীমিত রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জলঢাকা উপজেলায় এবারে ১৮৮টি পূজামণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং প্রতিটি মণ্ডপে সরকারিভাবে ৬০০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে যা বিগত সময়ের চেয়ে ১০০ কেজি করে বেশি।
সভায়, উপজেলা স্বপচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভোটেই এই সরকার ক্ষমতায় আসীন হতে সক্ষম হয়েছে। অতএব, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার বদ্ধ পরিকর।
