লক্কড়-ঝক্কড় বাস কীভাবে ফিরবে রাস্তায়?
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
ফিটনেস সনদ থাকলেও বাস্তবে চলাচলের অনুপযোগী বাস রাস্তায় চলতে দেওয়া হবে না। এসব বাস নির্দিষ্ট গ্যারেজে মেরামত করে পুলিশের কাছ থেকে ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার পরই আবার সড়কে নামানো যাবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় লক্কড়-ঝক্কড় গণপরিবহন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: নতুন পে-স্কেলকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা, সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা
আনিছুর রহমান বলেন, অনেক গাড়ির ফিটনেস সনদ থাকলেও বাস্তবে সেগুলোর অবস্থা চলাচলের উপযোগী নয়। এসব গাড়ি আটকের পর রাখার মতো পর্যাপ্ত জায়গা পুলিশের নেই। এ কারণে বাসগুলো মালিকের নির্ধারিত গ্যারেজে মেরামতের জন্য পাঠানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, কোন গ্যারেজে বাস মেরামত করা হবে, সেটি মালিক নিজেই ঠিক করবেন। তবে অভিযানের সময় গাড়ির ছবি তুলে রাখা হচ্ছে। মেরামত শেষে গাড়ি উপযোগী হলে ডিএমপির কাছ থেকে ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার পরই সেটি সড়কে চলাচলের অনুমতি পাবে।
অর্থাৎ, জরাজীর্ণ অবস্থায় আটক হওয়া কোনো বাস মেরামত করে আবার রাস্তায় নামাতে হলে মালিককে পুলিশের কাছ থেকে নতুন করে ছাড়পত্র নিতে হবে। পুলিশের ক্লিয়ারেন্স ছাড়া এসব বাস চলাচল করতে পারবে না।
তবে কোনো গাড়ির নির্ধারিত মেয়াদ বা ‘ইকোনমিক লাইফ’ শেষ হয়ে গেলে সেটি মেরামত করে পুনরায় সড়কে চালানোর সুযোগ থাকবে না বলে জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন: বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না: তারেক রহমানকে ট্রাম্প
আনিছুর রহমান বলেন, এরই মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ইকোনমিক লাইফ শেষ হয়ে যাওয়া আনুমানিক ৪০টি গাড়ি বিআরটিএর কাছে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইকোনমিক লাইফ শেষ হয়ে যাওয়া কোনো গাড়ি রাস্তায় পাওয়া গেলে সেটি আটক করে বিআরটিএর কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপর বিআরটিএর স্ক্র্যাপ নীতিমালা অনুযায়ী ওই গাড়ির বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
