×

আন্তর্জাতিক

ব্রিকস সম্মেলনে যুদ্ধ-অর্থনীতি-জ্বালানি, বাড়ছে গুরুত্ব

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

ব্রিকস সম্মেলনে যুদ্ধ-অর্থনীতি-জ্বালানি, বাড়ছে গুরুত্ব

ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেই ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। দুই দিনের এ সম্মেলনে এক মঞ্চে বসেছেন বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দেশের নেতারা। বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান সংকট এবং ভারত-চীন সম্পর্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। ফলে এবারের সম্মেলন শুধু সদস্য দেশগুলোর সহযোগিতা বাড়ানোর আয়োজন নয়, বরং পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থায় নতুন সমীকরণেরও ইঙ্গিত দিচ্ছে।

পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিপরীতে ভারসাম্য তৈরির একটি শক্তি হিসেবে গত কয়েক বছরে ব্রিকসের গুরুত্ব বেড়েছে। সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে ব্রিকসের সামনে রয়েছে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, জ্বালানি বাজারের অনিশ্চয়তা এবং ভারত-চীন সীমান্ত বিরোধের মতো বিষয়গুলো জোটের সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়াচ্ছে। ফলে এসব বিরোধের মধ্যেও সদস্য দেশগুলো কতটা অভিন্ন অবস্থান তৈরি করতে পারে, সেদিকে নজর থাকবে।

ব্রিকস কী, সদস্য কত

ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার নামের আদ্যক্ষর নিয়ে ব্রিকসের নামকরণ। ২০০৬ সালে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীনকে নিয়ে বাণিজ্যভিত্তিক জোট হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা যোগ দিলে জোটটি ব্রিকস নামে পরিচিতি পায়।

পরবর্তী সময়ে জোটের সদস্য আরও বাড়ে। ২০২৩ সালে মিসর, ইথিওপিয়া, সৌদি আরব, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্রিকসে যোগ দেয়। ইন্দোনেশিয়া ২০২৫ সালে সদস্য হয়। বর্তমানে ব্রিকসের সদস্য ১১টি দেশ।

আরও পড়ুন: নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে নতুন উদ্যোগ, আইবাসে বেতন নির্ধারণ

এসব দেশ মিলিয়ে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৯ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে। বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশও এসব দেশের নিয়ন্ত্রণে।

২০২৩ সালে আর্জেন্টিনাকেও ব্রিকসের সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাভিয়ের মিলেই দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশটি পশ্চিমাঘেঁষা নীতি অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে ব্রিকসে যোগ দেয়নি আর্জেন্টিনা।

কারা থাকছেন সম্মেলনে

আয়োজক দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসাও দিল্লিতে পৌঁছেছেন।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং সাত বছর পর ভারত সফরে এলেন। ফলে ব্রিকস সম্মেলনের পাশাপাশি ভারত-চীন সম্পর্কের দিক থেকেও এবারের আয়োজন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

প্রাথমিক সদস্য ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবারের সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না। স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তিনি ভারতে আসতে পারছেন না। ব্রাজিলের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েইরা প্রতিনিধিত্ব করছেন।

আরও পড়ুন: একনেক সভা কী, কীভাবে কাজ করে

সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো এবং ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানও সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন।

এ ছাড়া ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ আর মার্কোস জুনিয়র, কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ, বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট এভারিস্ত নাদাইশিমিয়ে, নাইজেরিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশিম শেত্তিমা, উগান্ডার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেসিকা আলুপো, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম, ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী লে মিন হুং, কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ পারিয়া, উরুগুয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিও লুবেতকিন এবং বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি ভারতে এসেছেন।

আরও পড়ুন : এসএমই ঋণ কী?

সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা।

আলোচনায় বাণিজ্য, জ্বালানি ও প্রযুক্তি

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রভাবের বিপরীতে নিজেদের সহযোগিতা জোরদার করা ব্রিকসের অন্যতম লক্ষ্য। এবারের সম্মেলনে বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিতে সদস্য দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে অর্থনীতি শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

জোটের নথিপত্র অনুযায়ী, এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য হলো- সহনশীলতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তোলা।

পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা রাশিয়া ও ইরানের সঙ্গে আন্তসীমান্ত লেনদেনের বিভিন্ন প্রক্রিয়াও আলোচনায় আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ফরাসি আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নাটিক্সিসের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান অর্থনীতিবিদ অ্যালিসিয়া গার্সিয়া-হেরেরোর মতে, সদস্য দেশগুলো অর্থনৈতিক লেনদেনে ডলারের বিকল্প খুঁজতে চাইবে- এমনটা মনে হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: কোন প্রকল্প যাবে একনেকে, কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

ক্রেমলিন জানিয়েছে, দিল্লির সম্মেলনে অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে ডিজিটাল মুদ্রায় বাণিজ্যিক লেনদেন নিষ্পত্তির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে মস্কো।

ভারতের বেঙ্গালুরুভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান তক্ষশীলা ইনস্টিটিউশনের জিওস্ট্র্যাটেজি প্রোগ্রামের চেয়ারপারসন মনোজ কেওয়ালরামানির মতে, ব্রিকস নেতাদের আলোচনায় সরবরাহব্যবস্থা নিরাপদ রাখা এবং চলমান সংঘাতের মধ্যে ঝুঁকি কমানোর বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মতপার্থক্য

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্যেই এবারের ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত মে মাসে ব্রিকসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করলেও ইরান যুদ্ধের বিষয়ে একটি যৌথ নিন্দা জানানো সম্ভব হয়নি।

এবারের সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অংশ নিচ্ছেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভারতে এটি তাঁর প্রথম সফর। একই সঙ্গে আট বছর পর কোনো ইরানি প্রেসিডেন্ট ভারত সফর করছেন।

হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও জনপ্রশাসন বিভাগের খণ্ডকালীন অধ্যাপক আলেহান্দ্রো রেয়েসের মতে, ইরান ব্রিকসের সদস্য হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত জোটটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এ সংঘাত বাণিজ্যপথ, জ্বালানি সরবরাহ ও জ্বালানি বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

আরও পড়ুন: এসএমই ঋণ নিতে কী লাগবে?

তবে ইরান ও ব্রিকসের আরেক সদস্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সরাসরি সংঘাত থাকায় এ বিষয়ে অভিন্ন অবস্থান নেওয়া কঠিন হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইরানি হামলার শিকার হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইরানের হামলায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুই সামরিক সদস্য, একজন বেসামরিক ঠিকাদার এবং ১২ জন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।

সংকটের মধ্যে গত আগস্টে ইরানের বিরুদ্ধে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ইউক্রেন যুদ্ধও আলোচনায়

ব্রিকসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িত। ফলে এবারের সম্মেলনে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

মনোজ কেওয়ালরামানি বলেন, ব্রিকস নেতারা কয়েক বছর ধরেই ইউক্রেনে রাশিয়ার কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করছেন। এবারও যুদ্ধকে ঘিরে জোটের প্রতিটি সদস্যের বৈধ স্বার্থ কীভাবে যৌথভাবে বিবেচনায় নেওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

২০২৫ সালের জুলাইয়ে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত ১৭তম ব্রিকস সম্মেলনের যৌথ ঘোষণায় নেতারা ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সমালোচনা এড়িয়ে যান। বরং রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলার নিন্দা জানানো হয়।

মনোজ কেওয়ালরামানির মতে, এবার ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ব্রিকসের যৌথ অবস্থান তৈরিতে বড় কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া বর্তমানে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে আলোচনা করছে।

চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধ বন্ধের নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এবারের ব্রিকস

জার্মান মার্শাল ফান্ড অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটসের সম্মাননীয় ফেলো ইয়ান লেসারের মতে, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক যখন ক্রমেই জটিল হচ্ছে, তখন ব্রিকস সম্মেলন পুতিনকে বৈশ্বিক দক্ষিণের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক তুলে ধরার সুযোগ দিচ্ছে।

তাঁর মতে, ওয়াশিংটনের অনিশ্চিত বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নীতির বিপরীতে ভারসাম্য তৈরিতে বিভিন্ন দেশের আগ্রহকে কাজে লাগানোর সুযোগ রাশিয়া ও চীন পাবে।

এবারের সম্মেলনের সময়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শীর্ষ বৈঠকের আগে ব্রিকস নেতারা বৈঠকে বসছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ কর্নেল ঝৌ বো বলেন, ব্রিকস নেতাদের বার্ষিক সম্মেলনে একত্র হওয়া নতুন কিছু নয়। তবে এবার বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে সাত বছর পর সি চিন পিংয়ের ভারত সফর।

বেইজিং ও নয়াদিল্লির সম্পর্ক বেশ কিছুদিন ধরে শীতল। তাই ব্রিকস সম্মেলন সি চিন পিং ও নরেন্দ্র মোদির জন্য দুই দেশের মতপার্থক্য কমানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে বলে মনে করেন ঝৌ বো।

বৃহত্তর পরিসরে দেখলে, চলমান যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এবারের ব্রিকস সম্মেলন বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সুত্র : আল জাজিরা

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

‘ফ্যাসিষ্ট সরকারের ১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল’

‘ফ্যাসিষ্ট সরকারের ১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল’

বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা ইসরাত পায়েল, পাত্র কে?

বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা ইসরাত পায়েল, পাত্র কে?

কারাগারে সাবেক এমপি চালাচ্ছিলেন মোবাইল, মিলল ডজন ডজন পর্নো ভিডিও

কারাগারে সাবেক এমপি চালাচ্ছিলেন মোবাইল, মিলল ডজন ডজন পর্নো ভিডিও

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App